আজকের সকালটা যেন অপার সৌন্দর্যে ভরপুর। পাখিদের কিচিরমিচির গান আর কাকের কা কা স্বরধ্বনি প্রকৃতিতে এক অদ্ভুত সুরের পটভূমি তৈরি করছে। চারপাশের বৃক্ষরাজি সেই সুরমূর্ছনায় যেন মুগ্ধ শ্রোতা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে- সবুজ পাতায় জড়ানো কমলা রঙের রোদ, পুকুরের জল ছুঁয়ে আসা আলোর প্রতিবিম্ব, শিশিরভেজা ঘাসের ঘ্রাণ আর ভেজা মাটির সুগন্ধি- আমার কাছে সবকিছুই কেমন অপরিচিত ঠেকে।

এই পৃথিবী আজ যেন নতুন করে জন্ম নিয়েছে—আশপাশের বৃক্ষরাজিরা নীরব সানাইয়ের মতো দুল খাচ্ছে, যা হৃদয় গহনে এক পশলা প্রশান্তির পরশ এনে দেয়। তবুও সেই মৃদুমন্দ বাতাস বুকের হাহাকারকে প্রশমিত করতে পারে না। হৃদয়ের ভেতরে জমে থাকা বিষণ্ণতা কোনো এক অলিখিত স্মৃতি হয়ে ফিরে আসে বারংবার। ভোরের এমন স্নিগ্ধতা যেন আমাদের অভ্যন্তরের ক্লান্তি ঘুচিয়ে আনে।

আমরা প্রত্যাশা করি এমন একটি নির্ঝর সমীরণ, প্রত্যুষের—যা শুধু দেহ নয়, প্রাণকেও ছুঁয়ে যাবে; যে বাতাসে থাকবে করুণার ছোঁয়া, সান্ত্বনার গন্ধ, ভালোবাসার স্পর্শ। আমরা প্রতিদিন রাত জেগে থাকি এমন একটি সকালের প্রতীক্ষায়!


রোজ : সোমবার 

স্থান : দিয়াবাড়ি, উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ। 

তারিখ : ১৪/৭/২৫